Explainer

ডিজিটাল রেভল্যুশন এবং ভবিষ্যৎ রাজনীতি (Digital Revolution and the Future Politics) পর্ব ১

প্রথম পর্ব

ভবিষ্যৎ আন্দাজ করা শক্ত। কিন্ত আমরা যদি অতীত ব্যাখ্যা করতে শুরু করি তাহলে কাজটা অনেকটাই সহজ হয়ে যায়। আমরা যদি ঊনবিংশ শতাব্দীকে মূল্যায়ন করতে চাই তাহলে সবচেয়ে যথাযোগ্য হতে পারে কোন দৃষ্টিভঙ্গিটি? প্রথমতই আমাদের মনে আসবে উদারনীতিবাদের (Liberalism) কথা।  বিংশ শতাব্দী হলো উদারনীতিক গণতন্ত্রের (Liberal Democracy) ঊষালগ্ন। ফরাসীরা ইতোমধ্যেই তাদের রাজাকে গিলোটিনে চড়িয়েছে আর আটলান্টিকের ওপারে জন লক এর একদল অনুসারী প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছেন একটি ক্রমবর্ধমান রিপাব্লিক (Republic)।  আর এদিকে ব্রিটেনে জন স্টুয়ার্ট মিল রাজতন্ত্র, উদারনীতিবাদ এবং মানবিকতাবাদের সংমিশ্রণে গড়ে উঠা একটি ব্যবস্থাকে রক্ষা করে চলেছেন। এসবের পরেই আসে ডেভিড রিকার্ডো, ম্যালথাস এডাম স্মিথ এর মতো প্রভাবশালী অর্থনীতিবিদদের হাত ধরে আসা “লেইসা ফেয়ার” (Laissez Fair) বা হস্তক্ষেপহীন পুঁজিবাদী বাজার ব্যবস্থার বিপ্লব। অন্যদিকে আমরা দেখতে পাই প্রলেতারিয়েত শ্রেণীর হাতে অর্থনীতির চাকা তুলে দিতে কার্ল মার্ক্স তোড়জোড় শুরু করেছেন এই ঊনবিংশ শতাব্দীতেই। 

শুধু তাই নয়, ঊনবিংশ শতাব্দী সাক্ষী হয়েছে সাম্রাজ্যবাদী এবং উপনিবেশবাদী ইউরোপের সর্বোচ্চ সাফল্যের। সাক্ষী হয়েছে, বিশ্বব্যাপি যুদ্ধের ভয়াবহতার। এই ঊনবিংশ শতাব্দীতেই মূলত রাজনীতি থেকে ধর্মের আধিপত্য কমতে শুরু করে, এবং ধর্মের জায়গা দখল করে নেয় জাতীয়তাবাদ। অন্য আরেক দিক দিয়ে শতাব্দীটিকে বলা যায় মানবিক সাম্যের কাল। এই শতাব্দীতেই নারীজাতি প্রথম সমান অধিকার দাবি করে, এবং নিউজিল্যান্ড পৃথিবীর বুকে প্রথম দেশ হিসেবে নারী ভোটাধিকার স্বীকার করে নেয়। ব্রিটেন দাস ব্যবসাকে বে-আইনি ঘোষণা করে, যুক্তরাষ্ট্র দাসমুক্তি শুরু করে দেয় আর রাশিয়া ভূমিদাস প্রথাকে ধুলিসাৎ করে দেয়।  

গণতন্ত্র, পুঁজিবাদ, উপনিবেশবাদ, আধুনিক যুদ্ধ, জাতীয়তাবাদ এবং মানব সাম্য- অনেক গুলো লেন্স সামনে চলে আসে ঊনবিংশ শতাব্দী মূল্যায়ন চেষ্টায়। কিন্তু এতো গুলো লেন্স এর কোনটাই পাওয়া সম্ভব হতো না যদি না ঊনবিংশ শতাব্দীতে শিল্প বিপ্লব (Industrial Revolution) সংঘটিত হতো। এটি ছাড়া মধ্যবিত্ত শ্রেণীর উত্থান ছিলো অসম্ভব, গণতন্ত্রের জন্যে তেমন কোন চাপ আসতো না। সম্ভব ছিলো না পুঁজিবাদী বিপ্লব। হয়তো উপনিবেশবাদেরও ব্যাপক বিস্তার ঘটতো না, কেননা শিল্প বিপ্লব না হলে বিশ্বজুড়ে কাঁচামাল সংগ্রহ বা দখলের উন্মাদনারও কোন প্রয়োজন ছিলো না।

সুতরাং, ঊনবিংশ শতাব্দীর অভূতপূর্ব উন্নয়নগুলোর প্রায় সবগুলোরই চালিকাশক্তি হলো শিল্প বিপ্লব। আর শিল্প বিপ্লবের মূল অনুপ্রেরণা গুলো ছিলো- বাষ্পীয় ইঞ্জিন, জার্ম থিওরি (Germ Theory), বিদ্যুৎ এবং রেলপথ। ১৮০০ সালের শুরুতে পৃথিবীর সব কিছু মধ্যযুগের মতোই ছিলো। মানুষ কল্পনাও করতে পারেনি কি অপেক্ষা করে রয়েছে পরবর্তী ১০০ বছরের জন্যে। শুধু একটি একটি করে বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার পৃথিবীর অর্থনীতিকে অভূতপূর্ব এক উচ্চতায় নিয়ে যায়, পৃথিবীর ইতিহাসে যতোটুকু উৎপাদন হয়েছিলো এই একশত বছরে তার সমপরিমাণ উৎপাদন সম্ভব হয়। যখন নিউকমেন স্টিম ইঞ্জিন আবিষ্কার করলেন, এবং তারপর সেটির বাণিজ্যিক ব্যবহার শুরু হলো ঐতিহাসিক এবং বিদেশীনীতি বিশ্লেষকগণও আজকের দুনিয়া সম্পর্কে ভাবতে পারেন নি।

ডিজিটাল রেভল্যুশনঃ

রেভল্যুশন (Revolution) বলতে আমরা কী বুঝি? যদি সাধারণভাবে বলতে যাই, তবে বিপ্লব হলো কোন কিছুর আমূল পরিবর্তন। যা ছিলো, তার সম্পূর্ণ বিলোপ এবং একদম নতুন কিছুর দ্বারা তার প্রতিস্থাপন।

আমরা উপরে পৃথিবীর বড় বড় পরিবর্তন এবং সেসবের জন্যে দায়ী ঘটনাপুঞ্জীর সংক্ষিপ্ত বিবরণ পেশ করেছি। আমরা দেখেছি, পৃথিবীর অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক ইতিহাস কিভবে উৎপাদন ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত নতুনতর আবিষ্কার এবং সেসবের যথাযোগ্য প্রয়োগের মাধ্যমে আকৃতি পেয়েছে। দেখেছি কিভাবে যুগে যুগে বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি বিশ্বের রাজনীতি, অর্থনীতি এবং সর্বোপরি আমাদের জীবনযাত্রাকে ঢেলে সাজিয়েছে। আমরা এও জেনেছি যে আজকের যে পৃথিবীতে আমরা বসবাস করছি সেটি সম্ভব হয়েছে ঊনবিংশ শতাব্দীর শিল্প বিপ্লবের ফলে, যার শুরুটা হয়েছিলো স্টিম ইঞ্জিন আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে আর যা আজও অব্যাহত রয়েছে। 

যদি প্রথম শিল্পবিপ্লবের শুরুটা হয়ে থাকে স্টিম ইঞ্জিন আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে, তবে ডিজিটাল বিপ্লবের শুরুটা কি? সবার মনে প্রথমেই আসবে ইন্টারনেট এর কথা। কথাটি অনেকাংশে সত্যি। ইন্টারনেট চালু হওয়ার পর থেকেই প্রযুক্তি বিশ্ব প্রতিদিন এগিয়ে চলেছে, এগিয়ে যাচ্ছে নতুন থেকে নতুনতর উন্নয়নের দিকে। আজ যা নতুন মনে হচ্ছে, চোখ ধাঁধিয়ে দিচ্ছে, কালই সেটি হয়ে যাচ্ছে আমাদের নিত্যদিনের অনিবার্য সঙ্গী। কিন্তু ইন্টারনেটের আবিষ্কারই কি দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের শুরুটা করে দিয়েছে? সম্ভবত তা নয়। কেননা একটি সত্যি সত্যি প্রযুক্তিগত বিপ্লব বিশ্বব্যাপি সার্বিক উৎপাদনের ব্যাপক বৃদ্ধি সংঘটন করে। যেরকমটা হয়েছিলো ঊনবিংশ শতাব্দীর ইউরোপে হওয়া ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভলিউশনের ক্ষেত্রে। কিন্তু সেই থেকে আজ পর্যন্ত বৈশ্বিক উৎপাদনের তেমন কোন বৈপ্লবিক বৃদ্ধি আমরা লক্ষ্য করিনি। যদিও অনেক ক্ষেত্রে কম্পিউটারাইজড সিস্টেম প্রবর্তনের ফলে উৎপাদনের খরচ এবং অপচয় কিছুটা কমানো সম্ভব হয়েছে। কিন্তু সার্বিক উৎপাদনের বৈপ্লবিক বৃদ্ধির পরিবর্তে ধারাটি এখনও মন্থরই রয়েছে।

তাই ১৯৮০ এর পর থেকে বিশ্বে দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব বা (Second Industrial Revolution) এর শুরু হয়েছে বলে দাবি করা হলেও একই সাথে আবার অনেকেই বলছেন- ডিজিটাল রেভলিউশন এখনও শুরু হয়নি, বিশ্ব এখনও প্রস্তুতি নিচ্ছে !

আমরা শুরুতেই বলেছি ভবিষ্যৎ আন্দাজ করা সহজ না হলেও অতীত ব্যাখ্যার দ্বারা তার কিছুটা আঁচ নেয়ার প্রচেষ্টা করা যেতেই পারে। প্রথম শিল্পবিপ্লব শুরু হবার পূর্বে যদিও তৎকালীন ঐতিহাসিকগণ এটির ব্যাপকতা সম্পর্কে কল্পনাও করতে পারেননি, তারপরও তারা প্রতিনিয়ত পরিবর্তনের পাদটিকা লিখে চলেছিলেন। যার ফলে আজ আমরা শিল্পবিপ্লবের প্রধান নিয়ামক হিসেবে বাষ্পীয় ইঞ্জিনকে দায়ী করার ফুরসত পাই। কেমন হয়? যদি আমরা আজকের এই বিশ্বের দিকেও সেরকম একটি দৃষ্টিভঙ্গিতেই তাকাই? এবং খুঁজে বের করবার চেষ্টা করি আজকের দুনিয়ার বাষ্পীয় ইঞ্জিন! যেটি সূচনা করতে চলেছে আরেকটি বৈপ্লবিক পরিবর্তনের!

আমরা একটু পূর্বে এ বিষয়ে আলোকপাত করেছি যে, বড়সড় পরিবর্তনের নিয়ামকের কথা চিন্তা করলেই আমাদের মনে ইন্টারনেট আর কম্পিউটার এর কথা আপনা আপনিতেই ভেসে উঠে। কিন্তু, আমরা এও দেখেছি যে, ইন্টারনেটের আবিষ্কার বিশ্বের সার্বিক উৎপাদন ব্যবস্থায় কিছুটা আগ্রগতি সাধন করলেও আমূল পরিবর্তন আনতে পারেনি। এমনকি পৃথিবী এরই মাঝে দুই দুটি বৈশ্বিক মন্দার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। তাহলে কী হতে পারে দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের “বাষ্পীয় ইঞ্জিন”? যার হাত ধরে বৈশ্বিক সর্বক্ষেত্রে আসবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন? যদি আন্দাজ করার সাহস করি, তবে মনে আসবে “কৃত্রিম বুদ্ধিমতা” বা “আর্টিফিসিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং” এর কথা।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এখনও তার জন্মলগ্নেই পড়ে রয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধমিত্তাকে আমরা এখন ব্যবহার হতে দেখি ছোট ছোট কাজ, যেমন- নিকটবর্তী কফিশপ খুঁজে দেয়া অথবা কার্টানা কিংবা গুগল এসিস্ট্যান্ট এর আবহাওয়া বার্তা জানিয়ে দেয়ার মাঝে। কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রকৃত ব্যবহার এখনও খুব একটা দূরে নেই। শুধুমাত্র যেটি দরকার, সেটি হলো হিউম্যান ব্রেনের মতো শক্তিশালি হার্ডওয়্যার আর একা একা চিন্তা করতে সক্ষম সফটওয়্যারের আগমন। অনেক বছরের প্রচেষ্টার ফলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রকৃত ব্যবহার নিশ্চিত করতে অপরিহার্য দুটি অংশ হার্ডওয়্যার এবং সফট‌ওয়্যারের মধ্যে হার্ডওয়্যার অংশটি বিজ্ঞানীরা  প্রস্তুত করতে সক্ষম হয়েছেন। বিজ্ঞানীরা মানুষের ব্রেনের মতো শক্তিশালী একটি কম্পিউটারের সেটআপ শুরু করেছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে কম্পিউটারটির আকৃতি একটি হল রুমের মতো বিশাল এবং সেটি তৈরিতে খরচ পড়ে ২০০ মিলিয়ন ইউ এস ডলার,  এর পেছনে বছরে ৫ মিলিয়ন ডলারের ইলেক্ট্রিসিটি খরচ হয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যাপক ব্যবহার চাইলে এরকম বড় আকৃতির হার্ড‌ওয়্যার ডিভাইস ব্যবহারে তেমন কোন সুফল বয়ে আনবে না বললেই চলে। কিন্তু গত কয়েক দশকের কম্পিউটার বিজ্ঞানের অগ্রগতির দিকে তাকালে আমরা  বুঝতে পারবো যে, হার্ডওয়্যার দিকটির আকৃতিগত সমস্যা সমাধানের জন্যে আমাদের আর বেশিদিন অপেক্ষা করতে হবে না। ইতোমধ্যেই অনেক দ্রুত কাজ করতে সক্ষম মাইক্রোপ্রসেসর এবং কাস্টোমাইজড মাইক্রোচিপের ব্যবহার শুরু হয়েছে। যেগুলো অনেক বড় বড় ক্যালকুলেশন এবং অ্যালগরিদম আকৃতিতে বৃহৎ সব সুপার কম্পিউটারের মতো সক্ষমতাতেই সম্পাদন করতে পারছে। আশা করা যায় বিশাল বিশাল আকৃতির এবং ব্যায়বহুল কম্পিউটারের স্থান অচিরেই এসকল মাইক্রো থেকে ন্যানো কম্পিউটার গুলো সম্পাদনে পারদর্শী হবে এবং ডিজিটাল রেভল্যুশনের ক্ষেত্রে হার্ডওয়্যারগত ভাবে যে অসুবিধা তা দূর হয়ে যাবে।

২০১৭ সালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশেষজ্ঞদের মাঝে পরিচালিত একটি সমীক্ষাতে দুই তৃতীয়াংশ বিশেষজ্ঞই এ বিষয়ে আশাবাদী যে ২০৬০ সালের মাঝে “এ আই” বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স মানুষের সকল কাজে সাহায্য করতেই শুধু সক্ষম হবে না, এমনকি মানুষের সকল কাজ নিজে নিজেই পরিচালনা এবং সম্পাদনা করতে পারবে। আর এসিয়ান (Asian) বিশেষজ্ঞদের মতে এসবের জন্যে ২০৬০ নয় ২০৪৫ পর্যন্ত অপেক্ষা করলেই চলবে। এই কাজের ব্যাপ্তি শুরু হবে বার্গার বানানো থেকে শুরু করে উপন্যাস লেখা এবং সেটি পাব্লিশ করে বিক্রি করা পর্যন্ত। এবং আরও একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এসব রোবট বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সমন্বিত ডিভাইস গুলো কাজ করতে পারবে মানুষের থেকেও দ্রুত, নির্ভুল এবং ক্লান্তিহীনভাবে। 

প্রেডিকশনগুলো আমাদের একটি গ্লোবাল ইউটোপিয়ার স্বপ্ন দেখতে প্রণোদিত করছে। প্রাথমিকভাবে দেখতে গেলে ব্যাপারটা তো বেশ ভালোই হবে! সব কাজ রোবট করে দিচ্ছে। অনেক কঠিন কাজ দ্রুত আর সহজে হয়ে যাচ্ছে, ঝুঁকিপূর্ণ কাজে মানুষকে আর জীবন বাজি রাখতে হচ্ছে না। যেনো স্বপ্নের পৃথিবী উপহার দিতে চলেছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ডিজিটাল রেভল্যুশনের মধ্য দিয়ে। কিন্তু বিষয়গুলো কি এতোটাই সরল? অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের দিকে তাকালে তো এতোটাও সহজ মনে হয় না! আসন্ন রেভল্যুশন কয়েক দশকের মাঝেই সারা বিশ্বের মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষকে কর্মচ্যুত করে ফেলবে। লক্ষ লক্ষ বেকার মানুষকে কীভাবে রাষ্ট্র (রাজনীতি) অর্থনৈতিক এবং সামাজিকভাবে পূনর্বাসন করবে এটিই হতে চলেছে আগামী দিনের বিশ্ব রাজনীতির প্রধান উপজীব্য। ঊনিবংশ শতাব্দী যেমন জন্ম দিয়েছিলো ডজন ডজন রাজনৈতিক মতাদর্শ, প্রতিষ্ঠান এবং সিস্টেমের তেমনি ডিজিটাল রেভল্যুশনও রাজনীতিকে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিক দান করতে যাচ্ছে তা বলাই বাহুল্য। লেখাটি দুই পর্বে সমাপ্য। বাকি অংশ অচিরেই আসবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *